Breaking News
Home / টিপস / এই গরমেও গোলাপ গাছে ফুটবে প্রচুর ফুল, শুধু মেনে চলুন এই টিপস গুলো

এই গরমেও গোলাপ গাছে ফুটবে প্রচুর ফুল, শুধু মেনে চলুন এই টিপস গুলো

গোলাপকে ফুলের রাজা বলা হয়। ভারতে বেশিরভাগ গোলাপ ফুল পার্বত্য স্থান এবং সমভূমিতে জন্মায়। অন্য সব ফুলের তুলনায় গোলাপ ফুলের বাণিজ্যিক গুরত্ব সবচেয়ে বেশি। যদি আপনি আপনার বাগানে গোলাপ গাছ লাগান তবে আপনার বাগানটিও সুন্দর এবং আকর্ষণীয় হয়ে উঠবে।

তবে এই গোলাপগুলিকে তখনই সুন্দর লাগবে যখন এই গাছগুলিকে যথাযথভাবে সঠিক যত্ন নিয়ে রোপন করা হবে। এই গাছগুলিকে শীতল পরিবেশে রোপন করা হয়। সূর্যালোক গোলাপ গাছের উপর দুর্দান্ত প্রভাব ফেলে। এই গাছগুলির জন্য সূর্যের আলো প্রয়োজন, তবে তারা খুব বেশি সূর্যের আলো এবং খুব কম তাপমাত্রায় ফুল দেয় না। তাই গ্রীষ্মকালে, এই গোলাপ গাছের ওপর বিশেষ নজর দেওয়া হয়।

যদি এই গোলাপ গাছের সঠিক ভাবে যত্ন নেওয়া না হয়, তাহলে সেগুলিতে ছত্রাক হওয়ার ভয় থাকে। আপনি যদি আপনার বাগানে প্রচুর গোলাপের ফুল দেখতে চান, তাহলে কয়েকটা সহজ টিপস অনুসরণ করুন। গোলাপের গাছগুলিতে যে পাতাগুলি হলুদ হয়ে যাবে সেগুলোকে ছেটে বাদ দিয়ে দিতে হবে এবং এই গাছের উপরের দিকের অংশ কেটে ফেলতে হবে, যাতে গাছটি নিচের দিকে বেশি ঘন হয়।

এর ফলে গাছটি বেশ ঘন হবে এবং তাড়াতাড়ি মরেও যাবে না। এরপরে কিছুটা হলুদ এবং জল নিয়ে একটি মিশ্রণ তৈরি করতে হবে, তারপর যে জায়গা থেকে গাছটিকে কাটা হয়েছে সেখানে এটির প্রয়োগ করতে হবে। এটি একটি দেশীয় কৌশল, তবে খুবই কার্যকর। এই পদ্ধতিতে, গোলাপ গাছকে ছত্রাকের থেকে বাঁচানো যায়। এছাড়াও গাছটি যাতে ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, সেই জন্যও এটি করা হয়।

গ্রীষ্মের মরশুমে ছাঁটাইয়ের পরে, এই কৌশলটি ব্যবহার করলে গাছের আয়ু বৃদ্ধি পাবে। এই গাছগুলিতে খুব বেশি জল দেওয়ার প্রয়োজন হয় না। কেবল গাছের মাটি শুকিয়ে গেলেই জল দিতে হবে। আপনি যদি এই গাছকে প্রতিদিন জল দেন, তবে এর পাতা হলুদ হয়ে যাবে এবং সেগুলি পড়তে শুরু করবে। এছাড়াও গাছের শিকড়গুলিতে ছত্রাক হওয়ার ঝুঁকি রয়ে যাবে।

যদি রোদের কারণে আপনার গাছের মাটি শুকিয়ে যায়, তবেই আপনাকে প্রতিদিন এটিতে জল দিতে হবে অন্যথায় নয়। রাসায়নিক সারের তুলনায় জৈব সার এই গাছগুলির জন্য বেশি ভালো। কলার খোসা ও চা পাতা দিয়ে তৈরি সার এই গাছগুলোর জন্য খুবই ভালো। এই গাছগুলির জন্য অম্লীয় মাটি খুবই উপকারী। এই কলার খোসার সার বানানোর জন্য, প্রথমে কলার খোসা গুলোকে দুই থেকে তিন দিন রোদে শুকিয়ে নিতে হবে।

তারপর সেগুলিকে পিসে গুড়ো করে নিতে হবে। তারপর সেগুলিকে গোলাপ গাছের মাটিতে 15 দিন অন্তর অন্তর যোগ করতে হবে। গোলাপ গাছগুলিতে খুব দ্রুত পোকামাকর হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। এজন্য আপনাকে এই উদ্ভিদে মাসে একবার করে নিম তেল দিতে হবে।

এছাড়াও গাছের মাটিতে নিম পাউডার ছিটিয়েও কীটপতঙ্গের হাত থেকে রক্ষা পেতে পারেন। এর ফলে পোকামাকড় এবং কীটপতঙ্গগুলি আপনার গাছ থেকে দূরে থাকবে। আপনি যদি এই সমস্ত ছোট ছোট জিনিস গুলো মেনে চলেন, তবে আপনার বাগানেও সুন্দর সুন্দর গোলাপ ফুল ফুটতে দেখা যাবে।।

About Sahelee Debnath

Check Also

কাক আপনার ভাগ্য পরিবর্তনের লক্ষণ দেয়, আপনি যদি কাককে এভাবে দেখেন, তাহলে বুঝবেন খুব শীঘ্রই আপনার ভাগ্য পরিবর্তন হতে চলেছে

প্রাণী ও পাখিদের সম্পর্কে আমাদের পুরান এবং গ্রন্থে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে। প্রাচীনকালে ঋষিগণ এবং …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

x